ইঞ্জিনিয়ারিং লজিক (Engineering Logic)
পিসি অন হওয়ার পর যখন এই মেসেজটি আসে, তার মানে হলো বায়োস (BIOS/UEFI) মাদারবোর্ডের সাথে কানেক্টেড কোনো স্টোরেজ ডিভাইসে (HDD/SSD) অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে পাচ্ছে না। সিএসই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাষায়, একে ‘Boot Priority Failure’ বলা হয়। এর প্রধান কারণ হতে পারে হার্ড ড্রাইভের ডাটা ক্যাবল (SATA) লুজ হওয়া, ড্রাইভের পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাওয়া, অথবা বায়োসে বুট মোড (Legacy/UEFI) ভুলভাবে সেট থাকা।
🛠️ ধাপে ধাপে সমাধান (Step-by-Step Solution)
১. বায়োস (BIOS) চেক: পিসি অন করার সময় F2, Del বা F12 চেপে বায়োসে প্রবেশ করুন। দেখুন ‘Information’ বা ‘Storage’ ট্যাবে আপনার হার্ড ড্রাইভ বা SSD-এর নাম দেখাচ্ছে কি না। যদি না দেখায়, তবে এটি হার্ডওয়্যার ডিসকানেকশনের সমস্যা।
২. ক্যাবল রিকানেক্ট ও পোর্ট পরিবর্তন: পিসির কেসিং খুলে হার্ড ড্রাইভের SATA Data এবং Power Cable খুলে আবার শক্ত করে লাগান। প্রয়োজনে মাদারবোর্ডের অন্য একটি SATA পোর্টে ক্যাবলটি লাগিয়ে চেক করুন। ল্যাপটপ হলে ড্রাইভটি খুলে পুনরায় স্লটে বসান।
৩. বুট মোড পরিবর্তন (Legacy vs UEFI): অনেক সময় উইন্ডোজ ইন্সটল করা থাকে Legacy মোডে, কিন্তু বায়োসে UEFI সেট করা থাকে (বা উল্টোটা)। বায়োস সেটিংস থেকে Boot Mode পরিবর্তন করে দেখুন ড্রাইভটি খুঁজে পায় কি না।
৪. হার্ড ড্রাইভের হেলথ চেক: ড্রাইভটি যদি অন্য পিসিতে লাগালেও ডিটেক্ট না করে, তবে বুঝতে হবে ড্রাইভের লজিক বোর্ড বা হেড নষ্ট হয়ে গেছে।
🚀 ইঞ্জিনিয়ার্স প্রো-টিপ (Engineer’s Pro-Tip)
যদি বায়োসে ড্রাইভ ডিটেক্ট করে কিন্তু তবুও “No Bootable Device” দেখায়, তবে বুঝতে হবে আপনার ড্রাইভের Master Boot Record (MBR) বা EFI Partition মুছে গেছে। এক্ষেত্রে উইন্ডোজ বুটেবল পেনড্রাইভ দিয়ে পিসি বুট করে কমান্ড প্রম্পটে bootrec /fixmbr এবং bootrec /rebuildbcd কমান্ডগুলো দিলে অপারেটিং সিস্টেম আবার সচল হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%।

Leave a Reply